হোম বাংলার ইতিকথাবাংলা ভ্রমণ গজলডোবার দিনরাত্রি

গজলডোবার দিনরাত্রি

প্রকাশক ক্রমবর্ধমান
গ্যাডওয়াল (Gadwall)

ঠাকুরদার সাথে কয়েকদিন ধরেই মোবাইলে যোগাযোগ করার ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছি। একদিন মোবাইলে কথোপকথনের মধ্যেই দেখি মা বিস্ফারিত চোখে আমার দিকে চেয়ে আছে। কারণটা আন্দাজ করতে পেরে মুচকি হেসে জিজ্ঞেস করলাম। উত্তর শুনে বুঝলাম ঠিক ঘেঁটে গেছে মাঝি ভাইয়ের নাম আর আমার সম্বোধনের যুগলবন্দিতে। এ তো গেল ঠাকুরদার নাম বিভ্রাট। এরপর আসি জায়গার নামে। পাহাড় থেকে নেমে আসার আগে যতজনকেই জি‌জ্ঞাসা করিনা কেন, কেউই প্রায় গজলডোবার নামও শোনেনি। সে হোমস্টে মালিক হোক বা গাইড। ড্রাইভারদের অবস্থাও তথৈবচ, কারণ, সব পর্যটক শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়িতেই নেমে থাকেন। যে ড্রাইভার জায়গাটি চেনেন বলে আমাদের নিয়ে আসছিলেন তাঁর মুখে পাহাড়ি উচ্চারণে শব্দটি এমন অদ্ভুত শোনাচ্ছিল যে সঠিক স্থানে আদৌ পৌঁছাব কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দিহান ছিলাম। ড্রাইভারদের অজ্ঞতা এবং গাড়ির অপ্রতুলতার কারণে আমার বেশকিছু বাড়তি গচ্চা গেল গজলডোবা পৌঁছাতে। গজলডোবা কোনো ট্যুরিস্ট স্পট নয়। ডুয়ার্সগামী পর্যটকদের রিফ্রেশমেন্ট ব্রেকের আধঘণ্টার আস্তানা মাত্র। তাই নেই ওখানে থাকার সু-ব্যবস্থা। একটি মাত্র সরকারি কটেজ “ভোরের আলো”। ওখানে বুকিং পাইনি, পেলেও রুম ট্যারিফে বুকে বড়ো বাজতো আমার। ঠাকুরদার ব্যবস্থাপনায় একটি নির্মিয়মান হোমস্টে তে একরাত থাকার সৌভাগ্য (?) হয়েছিল। “আপনজন” হোমস্টে যদিও আমাদের তেমন আপন হয়ে উঠতে পারেনি। নানাবিধ অসুবিধায় মন খানিকটা গোমড়া হয়ে গিয়েছিল। আগের দুইদিন পাহাড়ি সততায় যারপরনাই মুগ্ধ হওয়ার পরে সমতলী শঠতা মেনে নিতে বেশ খারাপ লাগছিল। শুধু মনে মনে প্রকৃতিকে বললাম কালকের দিনটা রোদ ঝলমলে রেখো তাহলে আর কোনো অভিযোগ রাখবো না।

সিট্রিন ওয়াগটেল (Citrine Wagtail)

এবছর ডিসেম্বরের শেষটা গতবারের মত ঝকঝকে রৌদ্রোজ্জ্বল নয়। ক্রিসমাসের সময়েও কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে এবার। ল্যান্ডস্কেপ তবুও চলে যায় কিন্তু বার্ড ফটোগ্ৰাফি সঠিক লাইটিং ছাড়া একদম অচল। সকালে সূর্যদেবের লুকোচুরি খেলা দেখতে দেখতে টোটোয় করে গজলডোবা ব্যারেজ চলে এলাম। সাক্ষাৎ হল আমাদের নৌকার মাঝি কাম গাইড ঠাকুর মালো ওরফে ঠাকুরদার সাথে। ওনার পরিচিত এক ছোটো হোটেলে রুকস্যাক দুটো রেখে ব্যারেজের বাঁ পাশে ভোরের আলো-র পাশের নৌকার ঘাটে চলে এলাম। আমাদের মত তখন দু’একটিই মাত্র নৌকা নেমেছে জলে। নৌকার সাইজ ছোটো বড়ো হয় যাত্রীর সংখ্যা বিশেষে। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি পাখির ছবি তুলতে যাওয়াই উদ্দেশ্য হয়। একজন থাকলে ছোটো নৌকা নেন মাঝিরা। তাতে পাখিদের বেশি কাছে পৌঁছানো যায়। কারণ শীতের সময় তিস্তার জল প্রায় থাকেইনা। নদীর বেশিরভাগ অংশেই বালির চড়ায় নৌকা বাধাপ্রাপ্ত হয়। যাইহোক নৌকাযাত্রা শুরু করলাম আমরা। গজলডোবায় প্রথমবারের জন্য আসা কিন্তু আকাশের মুখ ভার। সন্ধেবেলায় বাড়ি ফেরার বাস, তাই চিন্তা করতে করতে এগোতে লাগলাম।

কমন ক্যাসট্রেল (Common Kestrel)

শুরুতেই দেখা পেলাম কয়েকটি Tufted Duck ও Common Teal এর। পূর্বস্থলীর চুপীর চর ছাড়া আমি কোথাও পাখির ছবি তুলতে যাইনি এখনও পর্যন্ত। ওখানে এই পাখিগুলো দেখিনি কোনো বার। ঠাকুরদাকে বললাম প্রত‍্যেকটা পাখি আমাদের ভালো করে চিনিয়ে দেবার জন্য। মেঘলা আকাশের জন্য পাখি দুটোর স্বাভাবিক রং ক্যামেরা বন্দি করতে পারলাম না। আরও কিছুটা এগিয়ে ডানদিকে যেতে যেতে দেখলাম একজোড়া ব্রাহ্মণী হাঁস (Ruddy Shelduck)। একটু কাছে যেতেই ওরা স্বভাবত প্যাঁক প্যাঁক করে বিকট শব্দে ডেকে উড়ে চলে গেল। পাখি দেখতে পাওয়া ও তার ছবি তোলা আনন্দদায়ক সন্দেহ নেই। কিন্তু ততোধিক আনন্দ পাওয়া যায় পাখির উড়ে যাবার মুহুর্ত ফ্রেমবন্দি করার মাধ্যমে। ক্রমে ক্রমে আমরা মূল নদীতে এসে পড়লাম। ইতিমধ্যে দেখা হয়ে গেছে Grey Headed Lapwing, Red Wattled Lapwing ও একটি Common Greenshank পাখি। খানিকটা পানকৌড়ির মত দেখতে একটা সাদা-ধূসর পাখি আমার ডানদিক থেকে বাঁদিকে জলের উপর দিয়ে অদ্ভুত ক্ষিপ্রতায় ছুটে চলে গেল। জানলাম এটা Great Crested Grebe । Little Grebe চিনতাম কিন্তু এটা আগে দেখিনি। এরা ডুবুরির মত ডুবে ডুবে ছোটো মাছ ও জলজ পোকামাকড় খুঁজে বেড়ায়।

বার হেডেড গুস (Bar Headed Goose)

মূল নদীর চড়ায় শয়ে শয়ে Ruddy Shelduck বসে আছে। কিন্তু আমার মন পড়ে আছে নির্দিষ্ট কিছু পাখির উপর যেগুলো দেখার জন‍্যই মূলত এখানে আসা। সেগুলি হল Common Merganser, Northern Lapwing, Northern Shoveler ও Mallard । ঠাকুরদাকে বলায় বললেন যে এরমধ্যে দুটি পাখি দেখতে আরও অনেকটা দূর যেতে হবে। আমি উদ্দীপনার আতিশয্যে বুঝতে ভুল করলাম সেটি আসলে কতটা দূর। ক্রমে আরও কিছুটা সময় গিয়ে যখন আমাদের হাতে থাকা সময়ের জমা-খরচ হিসেব করতে বসলাম তখন বুঝতে পারলাম এদিকটা না এসে মূল জায়গায় থাকলেই বেশি লাভজনক হত কারণ সেখানেই বেশি প্রজাতির পাখি দেখতে পেতাম। শুধু শুধু একটা গোটা ঘন্টা নষ্ট করে ফিরতে লাগলাম। কিন্তু ফিরে আসায় একদিকে ভালোই হল। গোমড়ামুখো আকাশ আরও শক্তিশালী হয়ে আমাদের অভিযান প্রায় পণ্ড করে তোলার অভিপ্রায় করছে। এরকমই একটা সময় এমন হল যে গজলডোবা থেকে যেদিকটা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায় সেদিকটা অর্থাৎ পাহাড়ের দিকটা ঘন কালো হয়ে প্রচণ্ড কড়কড়ে বাজ পড়তে শুরু করল। এবং ক্রমেই ওইদিকটা ঝাপসা সাদাটে হয়ে উঠল। আমরা এমন একটা জায়গায় অবস্থান করছি যে অন্তত আধঘন্টা লাগবে আশ্রয় পেতে। একে ডিসেম্বরের ঠান্ডা তার উপর এমন বৃষ্টির ভ্রুকুটি দেখে দিশাহারা হয়ে ঠাকুরদার মুখের দিকে চেয়ে বুঝতে চাইলাম ভাবগতিক। ঠাকুরদা বললো যে কোনো সময় বৃষ্টি শুরু হতে পারে তাই ব্যারেজের উল্টোদিকের বাঁধের গায়ে নৌকা ভিড়িয়ে একটা গুল্মজাতীয় গাছ দেখিয়ে ওর নিচে আশ্রয় নেবার পরামর্শ দিল। আমার নিজেদের ভিজে যাওয়ার থেকে বেশি চিন্তা হচ্ছে ক্যামেরা ও সদ্যোজাত লেন্সের জন্য। ওদের আপাদমস্তক মুড়িয়ে আমার জ্যাকেটের তলায় ভরে ফেললাম। নৌকা থেকে নেমে বাঁধের উপরে গিয়ে একটু হাত-পা ছাড়িয়ে নিলাম।

ইউরেশিয়ান টিল (Eurasian Teal)

মিনিট দশেকের মধ্যে একটু যেন পরিষ্কার হল আকাশ। যদিও তখনও কড়কড় করে বাজ পড়েই চলেছে। যেমন করে ছোটোবেলায় টিভিতে কড়কড়ে বাজ পড়ার শব্দে প্রেমিকা তাঁর প্রেমিকের বুকে আরক্ত মুখ লুকোতো, কী জানি মেঘমেদুর ঐ পরিবেশে দিগন্ত বিস্তৃত তিস্তার জলে জোড়ায় জোড়ায় বসে থাকা ব্রাহ্মণী হাঁসগুলি তেমন কিছু ভাবছিল কি না! একটু পরে আরও খানিকটা আলো বের হয়ে এল। নিমেষে কালো জল হয়ে উঠল পান্নাসবুজ। ঠাকুরদা এবার সত্যিই অভয় দিয়ে বললেন আর বৃষ্টি হবেনা। আমি যেন দেখতে পেলাম ঠাকুরদার মধ্যে দিয়েই ঠাকুর যেন আমাকে তথাস্তু করছেন। আপাত কঠিন এই প্রান্তিক মানুষদের মধ্য একধরনের উদাসীনতা লক্ষ‍ করি সবসময়। এনারা কেমন যেন একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলেন সবসময়। অনেক কষ্টে অনেক হাঁড়ির খবর জিজ্ঞেস করার পর উনি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক কথা বলতে শুরু করলেন। এই একই বৈশিষ্ট্য আমি চুপী চরের শ্যামলদার মধ্যেও দেখেছি। আসলে জীবন সংগ্ৰামের জোয়ালের ওজনটা আমাদের থেকে কয়েকগুণ বেশি হয় বলেই হয়তো ওনাদের মধ্যেকার স্বাভাবিক উচ্ছ্বাসগুলো সুপ্ত হয়ে যায় ধীরে ধীরে। কথায় কথায় বললেন ওনার বাকি সময়ের জীবিকা, সংসারের কথা, সন্তানদের পড়াশোনার কথা ও নদীর নানান গল্প। শুনলাম এই নদীতেই উত্তরবঙ্গের সেই বিখ্যাত বোরোলি মাছ ধরা হয়। আমরা এখনও বোরোলি মাছের স্বাদ পাইনি, তবে গল্পে গল্পে তার প্রতি লোভ আরও খানিক বেড়ে গেল।

গ্রেট ক্রেস্টেড গ্রিভ (Great Crested Grebe)

এরপর অনেকদূরে একজোড়া রাজহাঁসের মত পাখি দেখিয়ে বললেন ওগুলো Bar Headed Goose। আমার নিমেষে মনে পড়ে গেল সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের লেখা ছেলেবেলার কবিতার লাইনগুলো….
“কোথায় জলে মরাল চলে,
মরালী তার পাছে পাছে?”
একজোড়া সুদর্শন মরাল/মরালী কাছ অব্দি যাবার আগেই নিরাপদ দূরত্বে উড়ে চলে গেল আর আমার কাছে বন্দি হল তার কয়েকটি মুহূর্ত। এই Bar Headed Goose এভারেস্টের উচ্চতা পেরিয়ে এখানে আসে প্রতিবছর। আরও কিছুটা ঘোরাঘুরির পর দেখতে পেলাম একদল Northen Lapwing এর। পরিযায়ী শ্রেণির এই পাখিটি আকারে ছোটো হলেও দারুণ সুন্দর দেখতে। ঘন সবুজ-হলুদ-ঘিয়ে রংয়ের পালক ও মাথায় একটি সুন্দর ঝুঁটি। মূলত ঝাঁকে ঘুরে বেড়ায়।

লিটল রিংড প্লোভার (Little Ringed Plover)

এরপর একে একে দেখলাম Wagtail, Citrine Wagtail, Little Ringed Plover, Kentish Plover নামক কয়েকটি খুব ছোটো পাখি। বালির চরে জলের পাশে পোকামাকড় খুঁজে খেতেই এরা সবসময় ব‍্যস্ত। দেখলাম একটি Grey Headed Gull ও একটি Black Eared Kite ও Merlin Falcon । এছাড়াও Great Cormorant, River Lapwing, Asian Openbill Stork, Great Egret ছিল প্রচুর পরিমানে। ফিরতি পথে দেখি ঈশ্বরের আশীর্বাদে ঝকঝকে রোদ উঠেছে। মাত্র তিরিশ কিলোমিটার দূর শিলিগুড়িতে কিছুক্ষণ আগে প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে ভরে গেছে। আর এখানে রোদ উঠেছে দেখে খুবই অবাক লাগল।

নর্দান লাপউইং (Northern Lapwing)

যাইহোক ফেরার পথে মন ভরে পাখি দেখলাম। Red Crested Pochard, Gadwall, Eurasian Coot, Ferruginous Pochard এইসব পাখিগুলোও দেখলাম যথেষ্ট পরিমাণে। Common Teal এর আসল রঙ দেখতে পেয়ে দারুণ লাগছিল। এছাড়াও ছিল Phesant Tailed Jacana, Little Grebe, Common Coot, Common Moorhen, Drongo ইত্যাদি ইত্যাদি পাখি। মন দিয়ে একজোড়া Gadwall এর জল থেকে ওড়ার ছবি তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছি এমন সময় ঠাকুরদা বললেন ওটা ছাড়ুন সামনে দেখুন একটা Northern Shoveler ।

নর্দান শাভেলর (Northern Shoveler)

এটিকে বাংলায় খুন্তে হাঁস বলা হয়। ঠোঁট দুটো একটি অস্বাভাবিক বড় চামচের মত দেখতে। কাদা খুঁচে খাবার খেতে এরা সিদ্ধহস্ত। মুহূর্তেই উড়ে পালালো সেটি। সূর্যের অবস্থান বিপরীত হওয়ায় আমি সুন্দর কয়েকটি উড়ন্ত শট পেলাম। আরেকটি অজানা পরিযায়ী পাখির দর্শন পেলাম, এটি হল Smew । ধীরে ধীরে সময় কমে আসতে শুরু করলো এবং পেটের ক্ষিদেও বেড়ে চললো। কি পেলাম না সেটা আর মনে রাখলাম না, বরং কি পেলাম তাই নিয়ে আপ্লুত হলাম।

রেড ওয়াটেল্ড ল্যাপউইং (Red Wattled Lapwing)

ঠাকুরদাকে কথা দিয়ে এলাম পরের বছর অন্তত দু’টো দিন থাকবো যাতে মোটামুটি পুরোটা কভার করতে পারি। এরপর নৌকো থেকে নেমে ঠাকুরদার চিনিয়ে দেওয়া “কল্পনা হোটেলে” সুস্বাদু বোরোলি মাছের ঝোল দিয়ে পরম তৃপ্তি ভরে গরম ভাত খেয়ে শিলিগুড়ির পথে রওনা দিলাম।

রাডি শেলডাক (Ruddy Shelduck)

যা যা পেলাম :

1. Common Teal11. Kentish Plover21. Asian Openbill Stork
2. Tufted Duck12. Sand Lark22. Red Crested Pochard
3. Ruddy Shelduck13. Brown Headed Gull23. Gadwall
4. Drongo14. Bar Headed Goose24. Common Moorhen
5. Merlin Falcon15. Black Eared Kite25. Great Egret
6. Common Greenshank16. Northern Lapwing26. Common Coot
7. Great Crested Grebe17. Great Cormorant27. Northern Shoveler
8. Wagtail18. Red Wattled Lapwing28. Ferruginous Pochard
9. Citrine Wagtail19. River Lapwing29. Smew (female)
10. Little Ringed Plover20. Grey Headed Lapwing30. Grebe
টাফটেড ডাক (Tufted Duck)

কিভাবে যাবেন :

যদি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গজলডোবা আসতে চান তাহলে প্ল্যাটফর্ম থেকে ফুটব্রিজে উঠে উল্টোদিকে নামতে হবে। ( যেদিকে সবাই নামে তার বিপরীত দিকে)। ওখান থেকে টোটো/অটো/ম্যাজিক গাড়িতে(২০ টাকা) আশিঘর মোড়। আশিঘর মোড় থেকে ওদলাবাড়ি গামী ম্যাজিক গাড়িতে(৩৫ টাকা) ঘন্টাখানেক দূরত্বে গজলডোবা ব্যারেজ।

রেড ক্রেস্টেড পোচার্ড (Red Crested Pochard)

** ব‍্যবহৃত ক্যামেরা নিকন ডি ৫৩০০ (Nikon D5300) সাথে নিক্কর ২০০-৫০০ মিলি (Nikkor 200-500 mm) লেন্স।
** গজলডোবায় থাকার সরকারি ব্যবস্থাপনা একমাত্র “ভোরের আলো”। দুর্দান্ত লোকেশনে তৈরি। ভাড়া ২৫০০ টাকা প্রতিদিন। এর সাথে জি.এস.টি. ও খাওয়ার খরচ আলাদা।
** এছাড়া বোরোলি রিসর্ট (9775873029)। ভাড়া ২৫০০ টাকা প্রতিদিন, খাওয়া অতিরিক্ত।
** অনন্যোপায় হলে মাঝি ব্যবস্থা করে দিতে পারেন রাত্রিবাসের। আমি যেখানে থেকেছি সেটি মাঝি ঠাকুরদার ব্যবস্থাপনায়। কিন্তু পরিষেবা ভালো নয় বলে উল্লেখ করলাম না।
** ঠাকুরদার মোবাইল নম্বর 7679900387
** সারাদিনের নৌকাভাড়া ১২০০ টাকা দরদাম সাপেক্ষে।

□ লেখক : অভিজিৎ গোলদার 
□ ছবি : অভিজিৎ গোলদার
□ লেখা ও ছবি পাঠানোর ঠিকানা :  
□ ইমেইল : [email protected]  
0 কমেন্ট
4

কমেন্ট করুন